জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক লিপু খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে দেখতে চান না .

Aug 13, 2024 - 11:55
 0  224
জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক লিপু খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে দেখতে চান না .
২০১৮ সালে জাতীয় দলের অধিনায়ক থাকাকালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাশরাফি বিন মুর্তজা। রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পরও তিনি বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছেন। এরপর ২০২৪ সালে সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। দুই ক্রিকেটারের জাতীয় দলে খেলা অবস্থায় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় অনেক সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন এই দুই ক্রিকেটার। ক্রিকেটাররা রাজনীতি করলে অবসরের পর করা উচিত বলে মনে করেন, জাতীয় দলের তারকা নুরুল হাসান সোহান। একদিন পর প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুও একই বক্তব্য দিলেন। 
 
এক প্রশ্নের জবাবে লিপু বলেছেন, যে সংস্কারের ছোঁয়া লেগেছে, তা এগিয়ে যাবে। কেউ জাতীয় দলে থাকা অবস্থায় রাজনীতি করতে পারবেন কি পারবেন না- সেটি নিয়ে ভাবতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলো যে সংস্কার নিয়ে কথা বলছে, সেখানে একটি রাজনৈতিক দলেরও কি উচিত কোনো রানিং খেলোয়াড়কে তাদের দলে নেওয়া। রাজনৈতিক দলগুলো দেশের জন্যই তো কাজ করে। আমার মনে হয় খেলা চালানোর সময়টাতে রাজনীতিতে আসা উচিত নয়। ভবিষ্যতের জন্য আমি আমার মতাতম দিয়ে রাখলাম।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বলেন, 'রাজনীতির পাশাপাশি কেউ জাতীয় দলে থাকতে পারবে কিনা এটা নিয়ে কাল সোহান বলেছে... সোহান কাল যা বলেছে এটার সঙ্গে আমি একটা বার্তা যোগ করতে চাই, সংস্কার দুই জায়গাতেই হতে হবে। খেলোয়াড়ের জন্যে যেমন.. জাতীয় দলকে সেবা করার সময় তিনি যোগদান করতে পারবেন কি পারবেন না রাজনৈতিক দলে।'

'পাশাপাশি যে রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার নিয়ে কথা চলছে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার.. সেখানে একটা রাজনৈতিক দলেরও কী উচিত কোনো জাতীয় দলের খেলোয়াড়কে তার রাজনৈতিক দলে নেয়া? তারা তো জনগণের জন্যই কাজ করে, দেশের জন্যেই ভাবে। এটা ওয়ান ওয়ে ট্রাফিক না। আপনি শুধু একজন খেলোয়াড়কে দোষ দিতে পারেন না। এখানে রাজনৈতিক দলকেও দায়ভার নিতে হবে। ভবিষ্যতের ব্যাপারে আমি আমার চিন্তাভাবনা একটু শেয়ার করলাম।'-যোগ করেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow