সৌদি আরব থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ!
সৌদির কৌশলগত ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে নতুন হামলায় আবারও থমকে গেছে তেল সরবরাহ! খুরাইসের পাম্পিং স্টেশনে হামলার পর তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় সৌদির বিকল্প তেলপথ এখন কতটা ঝুঁকিতে? আর এই হামলার প্রভাব কি এবার বিশ্ববাজারেও পড়তে পারে?
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যেন থামছেই না। এবার সৌদি আরবের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট বা পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে নতুন করে হামলার পর এর তেল সরবরাহ আবারও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে! সৌদি জ্বালানি খাতে কর্মরত একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, রিয়াদের পূর্বে খুরাইসে অবস্থিত একটি পাম্পিং স্টেশনকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তার দাবি, এর আগে ওই স্টেশনে কখনো হামলা হয়নি। হামলায় সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহ থমকে গেছে।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর বিভিন্ন স্থাপনা, যার মধ্যে খুরাইসের অবকাঠামোও রয়েছে, লক্ষ্য করে হামলার দাবি জানানোর একদিন পর এই ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সামনে এলো।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনটি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। গত মাসে সৌদি আরব তাদের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান তেলক্ষেত্র থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইনটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল।
ইরাকভিত্তিক ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার পর ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাইপলাইনটিতে তেল প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ ছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ইরান কৌশলগত হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করলে সৌদি আরবের প্রধান তেল রপ্তানি পথও থমকে যায়! ফলে, আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের জন্য ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনটি রিয়াদের সবচেয়ে জরুরি বিকল্প পথ হয়ে ওঠে। আর সেই পথেই নতুন হামলা সৌদির তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন চাপ তৈরি করেছে।
সৌদির তেল সরবরাহ বন্ধ?
সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে আবারও হামলা হয়েছে। রিয়াদের পূর্বে খুরাইসে একটি পাম্পিং স্টেশনে হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর পাইপলাইনের তেল সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সৌদি জ্বালানি খাতের একটি সূত্র। এর একদিন আগে হুথিরা আরামকোর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দাবি করে। হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকায় সৌদির আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যে এই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হয়ে উঠেছিল।
What's Your Reaction?