ইসিবি চত্বরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর: চাঁদাবাজির অভিযোগ
রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর এবং মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটা এই তাণ্ডবের পেছনে বিএনপির লোকজনের চাঁদাবাজিকে দায়ী করেছেন সালমান মুক্তাদির। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং ভবনের মালিকের সঙ্গে বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্টুডিওর এক কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, ঘটনার রাতে দেড়শতেরও বেশি সশস্ত্র লোক হঠাৎ স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। হামলাকারীদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। তারা সেখানে অবস্থানরত কর্মীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোবাইল ফোন, মানিব্যাগসহ শুটিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার সময় ঢাকার বাইরে অবস্থান করলেও খবর পেয়ে বিমানে করে রাজধানীতে ফেরেন সালমান মুক্তাদির। পরবর্তীতে স্টুডিওর ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে ফেসবুক লাইভে এসে ঘটনার বিশদ বিবরণ তুলে ধরেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সালমান বলেন, প্রপার্টির মূল মালিকের কাছ থেকে চাঁদা না পেয়ে প্রতিশোধ নিতে এসে হামলাকারীরা তাঁর স্টুডিওটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। স্টুডিওতে বহু ক্লায়েন্টের শুটিংয়ের অপ্রকাশিত ফুটেজ ও মূল্যবান সামগ্রী থাকায় আর্থিক ও পেশাগত দিক থেকে এক বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।
হামলার পেছনে স্থানীয় বিএনপির লোকজনের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলটির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও এখনও হামলাকারীদের পরিচয় বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও দমে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি ঘোষণা দেন যে এই হামলার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং পুনরায় এখানেই কাজ চালু রাখা হবে।
What's Your Reaction?