তিন দেশ থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার
রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকার মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) ও ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার কিনবে সরকার। এর মধ্যে রাশিয়া ও কানাডা থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি এবং সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানি করা হবে।
সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) চুক্তির আওতায় এসব সার কেনা হবে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী থাইল্যান্ড থেকে অনলাইনে বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ) থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার কেনা হবে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার ৪৫০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৩৮৩ দশমিক ৮০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় অষ্টম লটে এসব সার আমদানি করা হবে।
অন্যদিকে, কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন (সিসিসি) থেকে দুই লটে ৮০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার কেনা হবে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন করে সার আমদানি করা হবে। প্রতিটি লটে ব্যয় হবে ১৮৮ কোটি ৮৯ লাখ ৫৭ হাজার ২০০ টাকা। দুই লটে মোট ব্যয় হবে ৩৭৭ কোটি ৭৯ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৩৮২ দশমিক ৩৮ মার্কিন ডলার। বিএডিসির সঙ্গে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় এসব সার আমদানি করা হবে।
এ ছাড়া সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান মা’আদেন থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার কেনা হবে। ২০২৬ সালের পঞ্চম লটে এ সার আমদানিতে ব্যয় হবে ৪২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৮৬১ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার। বিএডিসি ও মা’আদেনের মধ্যে স্বাক্ষরিত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় এ সার আমদানি করা হবে।
What's Your Reaction?