অল্প বয়সে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ও তা প্রতিরোধের উপায়
অল্প বয়সে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ও তা প্রতিরোধের উপায়
অনিয়মিত জীবনযাপন, প্রক্রিয়াজাত ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, পর্যাপ্ত ঘুমের ঘাটতি এবং দীর্ঘদিনের মানসিক চাপের কারণে তরুণদের মধ্যে অল্প বয়সেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। তবে জীবনযাপনে কিছু সাধারণ ও ইতিবাচক পরিবর্তন এনে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
ঝুঁকি কমানোর প্রধান উপায়সমূহ:
-
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: খাবারের তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার (শাকসবজি, লাল চাল, ওটস, ডাল) বাড়ানো উচিত। অতিরিক্ত মিষ্টি, কোমল পানীয়, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা জরুরি।
-
নিয়মিত শরীরচর্চা ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটা, সাইক্লিং বা সাঁতার কাটার মতো শারীরিক পরিশ্রম ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়। পেটের অতিরিক্ত চর্বি ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ডায়াবেটিস প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান শর্ত।
-
পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা: নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম নিশ্চিত করা এবং দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
কখন সচেতন হবেন: অতিরিক্ত তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, চোখে ঝাপসা দেখা বা কারণ ছাড়া ওজন কমার মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে নিয়মিত খালি পেটে শর্করা ও HbA1c পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ মুক্ত জীবনযাপনেই রয়েছে দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি।
What's Your Reaction?