জ্বালানি সংকটে পল্লী এলাকায় লোডশেডিং বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা শঙ্কা
জ্বালানি সংকটের কারণে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় পল্লী এলাকায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ কম বিদ্যুৎ সরবরাহের ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা, এমনকি নেত্রকোনায় ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। তীব্র গরমের মধ্যে অতিষ্ঠ গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ায় মির্জাপুর, দিনাজপুর ও ঈশ্বরদীসহ বেশ কিছু স্থানে বিদ্যুৎ অফিস ভাঙচুর, কর্মী লাঞ্ছনা ও অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে।
এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন, ওজোপাডিকোসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থাপনা ও কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশন জানায়, দেশের ৮০ শতাংশ গ্রাহককে তারা বিদ্যুৎ দিলেও তারা নিজেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না; জাতীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দের ঘাটতির কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে।
বিদ্যুৎ ঘাটতির মূল কারণ হিসেবে গ্যাস সংকটকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়া ও কারিগরি জটিলতায় মহেশখালীর সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালগুলো থেকে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেছে। অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
What's Your Reaction?