ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ (মঙ্গলবার, ১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে ছিল এ কর্মসূচির কথা।

Mar 10, 2026 - 11:55
 0  4
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ (মঙ্গলবার, ১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে ছিল এ কর্মসূচির কথা।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রীসভার সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি ও দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।শুরুতে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। এ জন্য প্রতিটি উপজেলার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক মান নির্ণয়ের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চ বিত্ত শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে।এছাড়াও ওয়ার্ড কমিটি সরেজমিনে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারের ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালী সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং সংগৃহীত তথ্য ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাইকৃত তালিকা উপজেলা কমিটি কর্তৃক অধিকতর যাচাইপূর্বক উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারা দেশে মোট ৬ হাজার ৭৮৫৪ টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১৮০৫টি থানার তথ্য যাচাইয়ে ৪৭৭৭৭ টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য হতে ডাবল ডিপিং (একই ব্যাক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকুরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে চূড়ান্তভাবে ৩ হাজার ৭৫৬৭ টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow