এক বিশ্বকাপ, ৬৪ দেশ! ইনফান্তিনোর নতুন ভাবনায় বদলে যেতে পারে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর
শেষ হলো ৩৯ দিনের মহোৎসব। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরের পর্দা নামল স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপা দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা—দু–একটা ঘটনা বাদে তিন দেশ মিলিয়ে আয়োজন করা বিশ্বকাপকে সফল বলা যেতেই পারে। ফিফা সভাপতির পরিকল্পনা এখন ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন করা। সেটা কি আদৌ করা সম্ভব?
শেষ হলো ৩৯ দিনের মহোৎসব। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরের পর্দা নামল স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপা দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা—দু–একটা ঘটনা বাদে তিন দেশ মিলিয়ে আয়োজন করা বিশ্বকাপকে সফল বলা যেতেই পারে। ফিফা সভাপতির পরিকল্পনা এখন ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন করা। সেটা কি আদৌ করা সম্ভব?
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর মতে, ‘যত বেশি, তত ভালো।’ যত বেশি দল, তত বেশি ম্যাচ আর তত বেশি টাকা। ৩২ দলের ফরম্যাট ছেড়ে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন করার পেছনে তাঁর ইচ্ছাটাই ছিল সবচেয়ে বেশি।ইনফান্তিনো বারবার বলেছেন, ‘আপনি যদি ছোট দেশগুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেন, তবে তারা উন্নতি করায় কোনো আগ্রহী হবে না।’ ফুটবলপ্রেমীরা খুশিও হয়েছেন। কারণ, আসরের পরিধি বাড়লেও ‘ঘুম পাড়ানি’ ম্যাচের দেখা মেলা যায়নি বললেই চলে।খেলার দিক দিয়ে সফল হলেও সমালোচনা ছিল আয়োজন নিয়ে। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ফুটবলকে নিজেদের আদলে তৈরি করার চেষ্টা ছিল আমেরিকার। হাইড্রেশন ব্রেক, ২৭ মিনিট ২২ সেকেন্ডের সুপার বোলের মতো হাফটাইম শো আয়োজনে খেলার থেকে ধুলার দিকেই বেশি মনোযোগ ছিল।২০৩০ সালে উদ্যাপন করা হবে বিশ্বকাপের শততম বছর। বিশাল এই আয়োজন করা হবে ছয় দেশ মিলিয়ে। ইউরোপের পর্তুগাল-স্পেনের সঙ্গে আফ্রিকার মরক্কো। সেই সঙ্গে লাতিন আমেরিকার আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে। বিশাল আয়োজনের বিশ্বকাপে তাই স্বাভাবিকভাবেই ইচ্ছা দলের সংখ্যা বাড়ানোর।যদিও প্রথম প্রস্তাবটা এসেছিল কনমেবলের কাছ থেকে। লাতিন আমেরিকায় যে কয়টি ম্যাচের স্লট দেওয়া হয়েছে, তাতে তারা নিজেরাই খুশি নয়। সেখানে যদি ৬৪ দল হয়, তবে আরও কয়েকটি ম্যাচ পাবে তারা। ২০২৫ সালের এপ্রিলেই এমন প্রস্তাব দিয়েছিল তারা।ফিফা কিছু না জানালেও বাকি ফেডারেশনগুলোর ইচ্ছা তেমন ছিল না। কেউ বলেছেন, একেবারেই বাজে আইডিয়া; কেউ বলেছেন, ফুটবলের যে প্রতিযোগিতা, সেটা নষ্ট হবে এত দলের আগমনে। তবে প্রস্তাবটা উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়।
What's Your Reaction?