জলবায়ু কর্মপরিকল্পনায় শিশুদের অগ্রাধিকার দিতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষার তাগিদ দিয়ে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, শিশু ও তরুণেরাই আজ ও আগামী দিনের জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশের কারিগর। তাই জলবায়ু কর্মপরিকল্পনায় শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

Aug 20, 2026 - 13:23
 0  1
জলবায়ু কর্মপরিকল্পনায় শিশুদের অগ্রাধিকার দিতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষার তাগিদ দিয়ে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, শিশু ও তরুণেরাই আজ ও আগামী দিনের জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশের কারিগর। তাই জলবায়ু কর্মপরিকল্পনায় শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।আজ বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে ইউনিসেফ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপের সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য বিধিসহ বিভিন্ন সামাজিক সেবাকে জলবায়ু-সহনশীল করে গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, এ সংক্রান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা অনুসারে তাঁর মন্ত্রণালয় কাজ করছে।ইউনিসেফ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ ‘সীসামুক্ত বাংলাদেশের জাতীয় কৌশল ও বহুবর্ষী কর্মপরিকল্পনা (২০২৬–২০৩৫)’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হওয়ায় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। কর্মপরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে ইউনিসেফের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।পরিবেশমন্ত্রী বলেন, সীসাদূষণের পাশাপাশি অন্যান্য দূষণ থেকেও শিশুদের সুরক্ষায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।বৈঠকে জানানো হয়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি সৃষ্টিতে শিশুদের কোনো দায় না থাকলেও তারাই এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। ইউনিসেফের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৫ কোটি ৮৮ লাখ শিশু কোনো না কোনো জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে। প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে প্রায় ৯ জন একই সঙ্গে তিন বা তার বেশি দুর্যোগঝুঁকির সম্মুখীন।এ প্রেক্ষাপটে সরকার অনুমোদিত তথ্যের ভিত্তিতে জেলাভিত্তিক শিশু জলবায়ু ঝুঁকি সূচক (সিসিআরআই) এবং শিশুদের জন্য জলবায়ু পরিস্থিতি বিশ্লেষণ (সিএলএসি) প্রণয়নে মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ যৌথভাবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলো চিহ্নিত করে অভিযোজনসহ জলবায়ু পরিবর্তন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে লক্ষ্যভিত্তিক বিনিয়োগ পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।কার্বন নিঃসরণ কমাতে বাংলাদেশের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সম্পৃক্ত করতেও ইউনিসেফ সহযোগিতা করছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি খাতে এ সহযোগিতা পরিচালিত হচ্ছে।সরকারি বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাইয়েও ইউনিসেফ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও দুর্যোগ সহনশীল বিদ্যালয়ের মডেল গড়ে তোলার উদ্যোগে ইউনিসেফ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।বৈঠকে পাঠ্যক্রমে জলবায়ু ও পরিবেশ শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা, ইয়ুথ ক্লাইমেট নেগোশিয়েটরস ফেলোশিপ ও ইয়ুথ ক্লাইমেট সামিট আয়োজন এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরীদের নেটওয়ার্কের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।এ ছাড়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।সাক্ষাৎকালে মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. সাইদুর রহমান এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এ প্রেক্ষাপটে সরকার অনুমোদিত তথ্যের ভিত্তিতে জেলাভিত্তিক শিশু জলবায়ু ঝুঁকি সূচক (সিসিআরআই) এবং শিশুদের জন্য জলবায়ু পরিস্থিতি বিশ্লেষণ (সিএলএসি) প্রণয়নে মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ যৌথভাবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলো চিহ্নিত করে অভিযোজনসহ জলবায়ু পরিবর্তন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে লক্ষ্যভিত্তিক বিনিয়োগ পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।কার্বন নিঃসরণ কমাতে বাংলাদেশের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সম্পৃক্ত করতেও ইউনিসেফ সহযোগিতা করছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি খাতে এ সহযোগিতা পরিচালিত হচ্ছে।সরকারি বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাইয়েও ইউনিসেফ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও দুর্যোগ সহনশীল বিদ্যালয়ের মডেল গড়ে তোলার উদ্যোগে ইউনিসেফ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।বৈঠকে পাঠ্যক্রমে জলবায়ু ও পরিবেশ শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা, ইয়ুথ ক্লাইমেট নেগোশিয়েটরস ফেলোশিপ ও ইয়ুথ ক্লাইমেট সামিট আয়োজন এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরীদের নেটওয়ার্কের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।এ ছাড়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।সাক্ষাৎকালে মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. সাইদুর রহমান এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow