দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ইচ্ছাকৃত দাবানল সৃষ্টির অভিযোগ
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননের বনাঞ্চল ও কৃষিজমিতে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়ে দাবানল সৃষ্টির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর দাবি—ড্রোন থেকে দাহ্য পদার্থ ছিটানো, ফ্লেয়ার এবং সাদা ফসফরাস শেল ব্যবহারের মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননের বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে।
এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে সীমান্ত অঞ্চলের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং শতাব্দীর প্রাচীন জলপাই বাগানসহ গুরুত্বপূর্ণ ওক ও পাইন বন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ড্রোন হামলার মুখে পড়ছেন এবং কঠোর প্রশাসনিক বাধার কারণে কাজ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। বসতবাড়ি ধ্বংসের পর ফসলি জমিতে আগুন দেওয়ার এই প্রক্রিয়াকে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ইতিহাস ও স্মৃতি মুছে ফেলে এলাকাটিকে সম্পূর্ণ বাসঅযোগ্য করার ছক হিসেবে দেখছেন। পরিবেশবিদরা ইসরায়েলের এই পদ্ধতিগত ধ্বংসযজ্ঞকে 'ইকোসাইড' বা 'পরিবেশগত হত্যা' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তবে ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা সুড়ঙ্গ ও নিজেদের আড়াল করতে এসব বনাঞ্চল ব্যবহার করে আসছিল।
What's Your Reaction?