এল ক্লাসিকো জিতল রিয়াল মাদ্রিদ
বল দখলে আধিপত্য, একের পর এক আক্রমণ—ম্যাচজুড়ে দাপট দেখিয়েছে বার্সেলোনা। তবে শেষ পর্যন্ত জয়োল্লাসে মেতেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ। এল ক্লাসিকোর উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে বার্সেলোনাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে লস ব্লাঙ্কোস। অন্যদিকে, বল পায়ে প্রত্যাশিত ছন্দে দেখা যায়নি বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে।
ম্যাচজুড়ে বল দখলে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল বার্সেলোনার। ৬৩ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে তারা। পাসের সংখ্যাতেও এগিয়ে ছিল কাতালান ক্লাবটি। রিয়াল মাদ্রিদের ৩৬২টি পাসের বিপরীতে বার্সেলোনা খেলেছে ৬৪৩টি পাস, যার নির্ভুলতার হার ছিল ৯০ শতাংশ। গোলের উদ্দেশ্যে বার্সেলোনা ১৬টি শট নেয়, যার মধ্যে ছয়টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের নয়টি শটের পাঁচটিই লক্ষ্যে ছিল। তবে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় বার্সেলোনা। বিপরীতে, নিজেদের সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় রিয়াল।
প্রথমার্ধের ৪১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। বিরতির পর সমতায় ফেরার লক্ষ্যে আক্রমণের ধার বাড়ায় বার্সেলোনা। এর ফলও পায় তারা। ম্যাচের ৬১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া গোল করে স্কোরলাইন ১-১ করেন। এরপর দুই দলই জয়সূচক গোলের সন্ধানে আক্রমণ চালায়। ম্যাচটি যখন ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আবারও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এমবাপ্পে। ৮৭তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে রিয়াল মাদ্রিদের জয় নিশ্চিত করেন ফরাসি তারকা। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের রোমাঞ্চকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা।
এল ক্লাসিকোয় হারলেও লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। ১০ ম্যাচে নয়টি জয় নিয়ে তাদের সংগ্রহ ২৭ পয়েন্ট। অন্যদিকে, সমান ম্যাচে আটটি জয় নিয়ে ২৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে রিয়াল মাদ্রিদ, যা তাদের রেখেছে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে। দুই দলের মাঝে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।
What's Your Reaction?